সন্তানের জন্য একমাত্র যে গল্পটি লিখেন নাট্যকার আর্থার মিলার

 

মিলারের উক্তি, “একটি শিশুর আত্মা ঠিক একটি শিশুর মতো, দৌড়ে তা ধরা যায় না।”

কিডজ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

গল্পটি ছোট্ট এক মেয়েকে কেন্দ্র করে, যার নাম জেইন। জেইনের আছে নরম, উষ্ণ আর আরামদায়ক এক গোলাপি কম্বল। এর সঙ্গেই যেন তার অটুট সম্পর্ক। জেইন এটাকে বলে ‘বাটা’, কারণ সে ‘ব্ল্যাংকেট’ উচ্চারণ করতে পারে না।

জেইন ও তার বাটা সবসময় একসঙ্গে থাকে। প্রতি রাতে সে এটি জড়িয়ে শান্তি ও উম পায়। ছোট্ট জেইনের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে এই কম্বলের উপস্থিত। মেঝেতে টেনে নিয়ে যাওয়াঘুমানোর আগে শক্ত করে জড়িয়ে ধরা এবং গালে ঘষে আরাম পায় সে।

আর এভাবেই জেইন বড় হতে থাকে। হঠাৎ একদিন রাতে সে আবিষ্কার করে, তার প্রিয় বাটা নেই। সে তার মায়ের কাছে যায় এবং জানতে চায় এটি কোথায়।

মা কম্বল খুঁজে বের করে দেন এবং বলেন যে, জেইন বড় হয়ে উঠছে আর তার কম্বলটি ছোট হয়ে গেছে। মা দেখান যে, প্রিয় বাটা ছেঁড়া, জীর্ণ এবং ছিদ্রে ভরা। চারপাশে সুতোগুলোও বেরিয়ে গেছে। মা তাকে বলেন যে, সে এখন বড় হয়েছে এবং এটি ফেলে দেওয়া উচিত।

কিন্তু জেইন এতে রাজি হয় না। সে তার ঘরে ফিরে আসে এবং আবারও তার কম্বলটি দিয়ে নিজেকে ঢাকার চেষ্টা করে। সে বুঝতে পারে যে, এটি ধরে রাখার ইচ্ছা থাকলেও সময় এসেছে এটি ছেড়ে দেওয়ার। জেইন ও বাটার সম্পর্ক যেন বদলে যেতে থাকেকারণ জেইন শিশু থেকে কিশোরীতে পরিণত হয়েছে।

একদিন ভালোবেসে জেইন কম্বলটিকে তার জানালার ধারে রেখে দেয়, ভাবতে থাকে যে পরের দিন সে কী করবে।


Post a Comment

0 Comments