দুই দিনে আবেদন করেছে পৌনে ২ লাখ শিক্ষার্থী


দেশের সরকারি-বেসরকারি স্কুলগুলোতে ভর্তির আবেদন শুরু হয়েছে গত ১২ নভেম্বর। এরপর প্রথম দুই দিনেই (১২-১৩ নভেম্বর) আবেদন পড়েছে পৌনে ২ লাখের বেশি। এই সময়ে ৩ লাখ ২ হাজার ৩০২টি স্কুলে ভর্তির জন্য পছন্দ দিয়েছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ২৫১ জন শিক্ষার্থী।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) স্কুল শাখা বলছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মোট ১ লাখ ৮৭ হাজার ২৫১ জন শিক্ষার্থী ৩ লাখ ২ হাজার ৩০২টি স্কুলে ভর্তির জন্য পছন্দ দিয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে সরকারি স্কুলগুলোতে। সরকারি স্কুলের মধ্যে ২ লাখ ১ হাজার ২৬টি স্কুল পছন্দ দিয়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৩৬৫ জন শিক্ষার্থী। অন্যদিকে বেসরকারি স্কুলে ৫৩ হাজার ৫৯৬ জন শিক্ষার্থী ১ লাখ ১ হাজার ২৭৬টি স্কুল পছন্দ দিয়েছে।

মাউশি জানিয়েছে, একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ৫টি স্কুল পছন্দ দিতে পারে। এই আবেদন প্রক্রিয়া চলবে আগামী ৩০ নভেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

মাউশির মাধ্যমিক শাখার উপ-পরিচালক আজিজ উদ্দিন বলেন, টেলিটক দুইদিন পর পর ভর্তি আবেদনের সংখ্যা আমাদের জানায়। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ১ লাখ ৮৭ হাজার ২৫১ জন শিক্ষার্থী ৩ লাখ ২ হাজার ৩০২টি স্কুলে ভর্তির জন্য পছন্দ দিয়েছে। প্রথমদিন আবেদন কম হয়েছে। শেষদিকে এ সংখ্যা অনেক বাড়বে।

এবার সরকারি-বেসরকারি ৫ হাজার ৬২৫টি বিদ্যালয়ে মোট আসন আছে ১১ লাখ ১৬ হাজার ৬৩৩টি। কেন্দ্রীয়ভাবে লটারির মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। গত দুইদিনে (বৃহস্পতিবার পর্যন্ত) আবেদন করেছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ২৫১ জন ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থী। মোট আসনের মধ্যে ৪ হাজার ৯৪৫টি বেসরকারি বিদ্যালয়ে আছে মোট ১০ লাখ ৭ হাজার ৬৭১টি আসন। এর বিপরীতে আবেদন করেছে ৫৩ হাজার ৫৯৬ জন শিক্ষার্থী।

আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর একটি ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে ভর্তিযোগ্য শিক্ষার্থীদের বাছাই ও ভর্তি করা হবে। এ বছর ভর্তির আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১১০ টাকা। টেলিটক সিম ব্যবহার করে এই ফি পরিশোধ করতে হবে। ডিজিটাল লটারির পর আগামী ১৭ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে ভর্তি প্রক্রিয়া; চলবে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রথম ধাপে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ২২-২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভর্তি চলবে এবং দ্বিতীয় ধাপের তালিকা থেকে ভর্তি চলবে ২৬-৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

শিক্ষার্থীরা https://gsa.teletalk.com.bd/ লিংকে গিয়ে সরকারি ও বেসরকারি স্কুলের জন্য আলাদাভাবে আবেদন করতে পারবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর

Post a Comment

0 Comments