এডিটর নোবেল পুরস্কার খুজছেন


 দারুন তো, আমাগো হাসনাত আপা, যে এই ছবিটা এডিট করেছেন তাকে তো নোবেল পুরষ্কার বিতরণ করা দরকার,এখন নোবেল পুরষ্কার শব্দটার প্রতিও কেমন যেন একটা ঘৃণা জন্মেছে।

মার্সিডিজ-বেঞ্জ সম্পর্কে কিছু কম পরিচিত তথ্য: প্রথম গাড়ি রোড ট্রিপ: কার্ল বেঞ্জের স্ত্রী, বার্থা বেঞ্জ, ১৮৮৮ সালে প্রথম গাড়ি নিয়ে রোড ট্রিপ করেন, যখন তিনি বেঞ্জ পেটেন্ট-মোটরওয়াগেন চালিয়ে তার মায়ের কাছে ৬৬ মাইল দূরত্ব অতিক্রম করেন। তিন পয়েন্টের তারা: মার্সিডিজ-বেঞ্জ লোগোর তিনটি পয়েন্টওয়ালা তারাটি কোম্পানির স্থল, সমুদ্র, এবং আকাশে পরিবহনের আধিপত্যকে নির্দেশ করে। মেয়ের নামে নামকরণ: "মার্সিডিজ" নামটি এমিল জেল্লিনেকের মেয়ে মার্সিডিজ জেল্লিনেকের সম্মানে রাখা হয়, যিনি কোম্পানির জন্য একজন মার্কেটিং কৌশলবিদ ছিলেন। পোর্শের প্রতিষ্ঠাতা: পোর্শের প্রতিষ্ঠাতা ফার্দিনান্দ পোর্শে তার কর্মজীবন শুরু করেছিলেন মার্সিডিজ-বেঞ্জে। নিরাপত্তা উদ্ভাবন: মার্সিডিজ-বেঞ্জ বহু বছর ধরে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে আসছে, ১৯৫৯ সালে প্রথম ক্রাম্পল জোন প্রবর্তনের মাধ্যমে। সবচেয়ে দামী গাড়ি: ইতিহাসে সবচেয়ে দামী গাড়ি মার্সিডিজ-বেঞ্জ ৩০০এসএলআর উলেনহাউট কুপে, যা ২০২২ সালে ১৪২ মিলিয়ন ডলারে নিলামে বিক্রি হয়েছিল। রেসিং ইতিহাস: ১৯৫৫ সালের লে মানস দুঃখজনক দুর্ঘটনার পরে মার্সিডিজ-বেঞ্জ তাদের রেসিং প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেয়; এই দুর্ঘটনায় ৮৪ জন নিহত হন। এএমজি: উচ্চ-পারফরম্যান্স বিভাগ এএমজি মূলত একটি স্বাধীন টিউনিং কোম্পানি ছিল, যা পরে মার্সিডিজ-বেঞ্জ অধিগ্রহণ করে। প্রথম ফিলিং স্টেশন: বিশ্বের প্রথম ফিলিং স্টেশনটি জার্মানির ওয়েইসলোখে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যখন বার্থা বেঞ্জ তার ঐতিহাসিক রোড ট্রিপের সময় মোটরওয়াগেনের জন্য জ্বালানি পুনরায় ভরেছিলেন। উদ্ভাবনী সূচনা: কার্ল বেঞ্জ ১৮৮৬ সালে গ্যাসোলিন চালিত গাড়ির জন্য বিশ্বের প্রথম পেটেন্ট পান, যা আধুনিক গাড়ি শিল্পের সূচনা হিসাবে বিবেচিত।

Post a Comment

0 Comments