মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আফসানা নাইম জানান, শহরের নির্দিষ্ট একটি খাবার খেয়ে গত দুইদিন ধরে তারা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অনেকে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় গেছেন। এই মুহূর্তে হাসপাতালে ১৫ জনের মতো এখনো ভর্তি আছেন, তাদের চিকিৎসা চলছে।
নিউ প্যারাডাইস হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের মালিক খোরশেদ আলম বলেন, এটা কিভাবে হয়েছে জানি না। অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, তাদের নিজেদের জন্য হয়েছে, এটার জন্য আমি দায়ী না।
তবে উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর বাসু দেব কুমার বিশ্বাস বলেন, নিউ প্যারাডাইস হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের মালিক খোরশেদ আলমকে বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেকে এনে সতর্ক করা হয়। পরে এ ঘটনার জন্য খোরশেদ আলম দুঃখপ্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে মোংলা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফিয়া শারমিন বলেন, অসুস্থ রোগীদের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ওই হোটেলটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআই


0 Comments